Sunday, 13 December 2020

ইউরোপীয় ধ্রুপদী সংগীতের কাহিনীঃ দ্বিতীয় পর্ব

 দ্বিতীয় পর্ব


বৈপ্লবিক কিছু না হলে প্রায় কোনো যুগান্তরই একদিনের নোটিশে হয় না। ইউরোপের সংগীতে রেনেসাঁ যুগের শেষ থেকে যে পরিবর্তনের ঝোঁকটা দেখা যাচ্ছিল, মোটামুটি ১৬০০ খ্রীষ্টাব্দ নাগাদ সেটা ডালপালা মেলতে শুরু করে। এই সময় থেকে একেবারে রোমান্টিক যুগের শেষ অবধি, মানে ১৯১০ নাগাদ, পর্বকে একসঙ্গে আবার বলে কমন প্র‍্যাকটিস পিরিয়ড। এসময় থেকেই একটা নির্দিষ্ট সিগনেচার কি (এর বাংলা জানি না) ব্যবহার করে পুরো সুর বানানো শুরু হয়৷ এই কমন প্র‍্যাকটিস পর্বের একদম শুরুটা হয়েছিল বারোক আমলে। আপাতত আমাদের গল্প চলবে বারোক যুগের মধ্যে দিয়ে। বারোক (baroque) নামটা এসেছে পর্তুগীজ barroco থেকে। যার অর্থ তেবড়ে যাওয়া মুক্তো। খোঁজ নিয়ে দেখতে পারেন এই বিকৃত মুক্তোর বাজারমূল্য নাকি অনেক৷ লম্বাটে, মুদ্রার মতো বিভিন্নরকম আকৃতির মুক্তোর নামেই গোটা একটা শিল্প আন্দোলনের নাম হয়ে গেছে। আর অলঙ্কার থেকেই যে যুগের নাম, সেযুগের শিল্পে আলঙ্কারিক আতিশয্য না থেকে যায় না। 

কিন্তু বারোক যুগের সংগীত নিয়ে লিখতে গেলে আগে তার চারপাশের শিল্প নিয়ে একটু লিখতে হয়। আগের পর্বে লিখেছিলাম কদিন আগেই মার্টিন লুথার কিং এর নেতৃত্বে প্রোটেস্টান্ট আন্দোলন শুরু হয়েছে। প্রোটেস্টান্টদের মূল বক্তব্যই ছিল ধর্মজীবনে সরলতা। ক্যাথলিকদের প্রাসাদোপম চার্চ, আতিশয্যপূর্ণ উদযাপনের বিপরীতে প্রোটেস্টানদের ধর্মচর্চা ছিল অনেকখানিই সহজ ও সাশ্রয়ী। এতে  খ্রীষ্টানরা দলে দলে প্রোটেস্টান মত গ্রহণ করছিল। বিষয়টা ক্যাথলিক চার্চের নজরে আসায় একটা বিপরীতমুখী আন্দোলন শুরু হয়। অর্থাৎ চার্চ, বাইবেল ও ঈশ্বরের সেই প্রাচীন গুরুগাম্ভীর্যের প্রচার ও প্রসার৷ লোকে বিস্মিত হতভম্ব করে বিরাট কিছুর সামনে চুপ করিয়ে দেওয়ার একটা দরকার ছিল। তাই এলো বারোক। একটা তুলনা দেওয়া যাক। আমাদের বাংলায় উনিশ শতকের নবজাগরণে হিন্দুধর্মের সংস্কার করে, ক্ষীরটুকু তুলে প্রোটেস্টান্টদের মতোই রাজা রামমোহন ঠাকুরবাড়ির সাহায্যে ব্রাহ্মধর্ম প্রতিষ্ঠা করলেন। আবার স্বামী বিবেকানন্দ ও অন্যান্যদের দ্বারা তার বিপরীতে ভক্তিবাদী ও বেদান্তবাদী ধর্মসংস্কার শুরু হল। যদিও পাশ্চাত্যের নিরিখে প্রাচ্যের রকমসকম বোঝানো উচিৎ না। কিন্তু পাঠক অনেকটা এইভাবে বিষয়টা বুঝতে পারেন। 

অর্থাৎ স্থাপত্য, অঙ্কন, ভাস্কর্য ও সর্বোপরি সংগীতে একটা জমকালো পরিবর্তন হল। আরেকটা খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, সময়টা ১৬০০ এর শেষ ও ১৭০০ এর গোড়া। এই সময় গ্যালিলিও দূরবীনে চাঁদের গর্ত, বৃহস্পতির উপগ্রহ, শনির বলয় দেখে ফেলেছেন। পৃথিবী ঘুরছে ঘোষণা হয়ে গেছে। ১৬৪২ সালে গ্যালিলিও মারা গেলেও সেই বছর জন্মগ্রহণ করেন আইজ্যাক নিউটন। পদার্থবিজ্ঞানে সাংঘাতিক সব পরিবর্তন হয়ে গেছে। লিবনিজ প্রমুখ গণিতবীদরা কাজ করছেন। ল্যাটিন ভাষার পরিবর্তে শিক্ষাক্ষেত্রে স্থানীয় ভাষার ব্যবহার বাড়ছে। একাধিক নতুন দেশ-দ্বীপ আবিষ্কার হয়েছে। আমেরিকাতে কলোনি বসে গেছে। মানুষ বুঝেছে পৃথিবীকে তাঁরা যতটা বড় ভাবতেন আসলে তারচেয়েও বড়। মহাকাশ আরো বড়। একটা বিশাল উঁচু ছাদের গির্জার নীচে, দুর্ধর্ষ সব মূর্তি ও অঙ্কিত চিত্র বা ম্যুরালের সামনে দাঁড়িয়ে সাধারণ মানুষ যে সংগীত শুনতে চাইতেন সেটাই বারোক। জমকালো! 

বারোক যুগের অন্যতম বিখ্যাত সুরগুলি এখনো জনসমাজে সমানভাবে সমাদৃত। কিন্তু আপনি কিভাবে চিনবেন যে সেটা বারোক কিনা? আমি যেমন সুরকারের নাম ধরে চিনি। সুরকারদের নাম জেনে শুনলে কিছুদিন পরেই নিজেই ধরতে পারবেন তাদের বৈশিষ্ট্য। ধরা যাক আপনাকে কয়েকটা নাম বলা হল। প্যাচেলবেল, বাখ, তারতিনি, ভিভালডি, মন্টেভার্ডি, হ্যান্ডেল। 

এবার আপনি প্যাচেলবেলের বিখ্যাত ক্যানোন ইন ডি চালিয়ে শুনলেন। এই সুরটা সাহেবরা বিয়েতে বাজায়। সম্প্রতি একই সুরে মারুন ফাইভ ব্যান্ড একটি গান বের করেছে। এবার শুনলেন বাখের ব্র‍্যানডেনবার্গ কনসার্টোগুলি। ভিভালডির ফোর সিজন। এভাবে শুনতে গেলে দেখবেন কিছু কিছু সুর আগেও শুনেছেন বিভিন্ন জায়গায়, বিশেষত কার্টুনগুলিতে। এবার যদি বাছতে বসেন প্রথমেই দেখবেন সুরে প্যাঁচপয়জার বড্ড বেশি। আগেই বলেছি অলংকার বা জমকালো ব্যাপারের প্রতি বারোকের একটা আলাদা টান আছে। একটানা বেজে যাবে, থামাথামি নেই, সেইসঙ্গে ঢুকছে সূক্ষ্ণ সুর আবার কখনো ভীষণ চড়া। কখনো খুব আস্তে পরক্ষণেই তীব্রস্বরে। আমার ব্যক্তিগতভাবে মনে হয় বারোকের সুর বিশেষত বাখের সুর কানে হেডফোন দিয়ে আলো-আঁধারি ঘরে একা শুনতে হয়। মনে হবে এই বিরাট মহাবিশ্বে আমি এক ক্ষুদ্র প্রাণ। আপনিই মনে কিসের প্রতি একটা শ্রদ্ধাভাব জন্মায়। 

আবার দেখবেন প্রতিটা সুর শুনলে মনে হবে একটা জায়গায় গিয়ে দুটো সুর একসঙ্গে মিলে যাচ্ছে। যদি ভায়োলিনে সোলো শুনতে হয় নতুনদের মধ্যে হিলারি হানের বাজনা শুনতে বলব। আপনি সুরে একটা গঠনবিন্যাস পাবেন, কিন্তু তাকে ছুঁতে পারবেন না। 

সোনাটা ও কানটাটা নিয়ে একটু বলি। সোনাটা ঘড়ি হওয়ার বহু আগে থেকে আছে। ইউরোপে সোনাটা বলতে একটা বড় অংশের যন্ত্রসঙ্গীতকে বোঝায়। বেঠোফেনের মুনলাইট সোনাটার নাম হয়তো অনেকেই শুনেছে। তবে সেটা ক্লাসিকাল যুগের। বারোক যুগে সোনাটার সবে উত্থান শুরু হয়েছে। সোনাটা যেমন যন্ত্রের জন্য, কণ্ঠসঙ্গীত হলে তাকে বলত কানটাটা (ট এর উচ্চারণ কোথাও ত এর মতো)। স্প্যানিশে তো কানতো মানে গাওয়া। ইউরোপের ভাষা জানলে ভালো করে ব্যুৎপত্তিটা বলা যেত। বারোকে কানটাটার চল ছিল খুব। পরে অবশ্য সামান্য জনপ্রিয়তা হারায়। 

আলাদা করে সুইটের কথা বলব। যেমন বাখ বেশ কিছু চেলো সুইট লিখেছিলেন। সুইট মানে মিষ্টি নয়। সুইট নামক গঠনে(যেমন সোনাটা, কানটাটা বা পার্টিশিয়া বা কনসার্টো) একটা নাচের ছন্দ আছে। আপনি মোহাবেশে শরীর দুলে উঠবে। রসিক হলে চোখ বন্ধ করে মাথা দোলাবেন। সবচেয়ে বিখ্যাত হল বাখের এক নম্বর চেলো সুইটের প্রিলিউড। প্রিলিউড মানে সুরের শুরুতে যে অংশটা বাকি সুরের চলনের একটা ধারণা দেবে। সুরের পূর্বাভাস বলা যেতে পারে। বিখ্যাত চেলোবাদক ইয়ো ইয়ো মা এর বাজানো বাখের সুইটগুলি আমার ভীষণ পছন্দের। 

এবার বলতে হয় এই যুগের কনসার্টোর কথা। কনসার্টো মানে হল একজন বা দুজন একক শিল্পী এবং একটা গোটা অর্কেস্ট্রা একসঙ্গে বাজাবে। অর্থাৎ কিনা একক শিল্পী ও বাকি অর্কেস্ট্রার গুরুত্ব সমান। সেটা ভায়োলিন বা দুটো ভায়োলিন, বাঁশি বা হার্পসিকর্ড যাই হোক না কেন। হার্পসিকর্ড হল পিয়ানোর বড় ভাই৷ পিয়ানোর সাদা বোতামগুলো কালো ও কালো বোতামগুলো সাদা রঙের হয়। আরেকটা পার্থক্য হল পিয়ানোর ভেতর তারে ঠুকে শব্দ হয়। হার্পসিকর্ডে টেনে শব্দ হয়। যাই হোক, এই কনসার্টোর জনপ্রিয়তা বারোক থেকে শুরু হয়।  একটা নির্দিষ্ট সজ্জায় কনসার্টোতে বসা হত। একক শিল্পী সাধারণত অর্কেস্ট্রা কনডাকটরের (যিনি হাত নেড়ে নেড়ে তাল মেলান ও নির্দেশনা দেন) বাম বা ডানে থাকেন। সর্বদা কনডাকটরের বামদিকে ফার্স্ট ভায়োলিন, ডানদিকে সেকেন্ড ভায়োলিন, মধ্যে চেলো, ডবল বেস, কাঁসা ও কাঠের তৈরি উডউইন্ড এবং ভিওলা। তালবাদ্যে টিমপানি প্রভৃতি ব্যবহার হলে তারা থাকে কনডাকটরের সোজাসুজি। এগুলো পড়তে জটিল লাগলেও কয়েকবার কনসার্টো দেখলে (স্বচক্ষে বা আমার মতো ইউটিউবে) দেখলে পরিষ্কার হয়ে যাবে। বাখের ব্র‍্যান্ডেনবার্গ কনসার্টোর সিরিজের কথা আগেই বলেছি। আরো গাদা গাদা কনসার্টো আছে। খুঁজলেই পাবেন। 

আমি বারবার বাখের কথা বলছি কারণ বাখ আমার অন্যতম প্রিয় সুরকার। বারোকের অন্তিমযুগে বাখ না থাকলে গানের জগৎটা অন্যরকম হত। এইসময়েই সম্ভবত বারোক সর্বোচ্চ উৎকর্ষে গিয়েছিল।  পরবর্তীকালের অনেক সুরকারই ঘুরিয়ে ফিরিয়ে বাখের কাজ দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়েছেন। বাখ তো আর নাম নয়, পদবী। জোহানন সেবাস্টিয়ান বাখ। বাখ জন্মেইছিলেন একটা পরিবারে যেখানে সবাই সুরকার। সেজন্য বাখ আসলে অনেকে। কিন্তু আসল বাখ একজনই। জেএস বাখ। বাখ ছোটো থেকেই সঙ্গীত পরিমন্ডলে বড়ো হওয়ার ফলে সাংস্কৃতিক রুচিবোধ তৈরি হয়েছিলেন। তাঁর এক দাদা ছিলেন ক্যানোন ইন ডি খ্যাত প্যাচেলবেলের ছাত্র। বাখের জীবনে শিক্ষক তাঁর দাদার ভূমিকা ছিল যথেষ্ট। পরে ছাত্রাবস্থাতে এক বন্ধুর সঙ্গে দুইবছর ইউরোপের বিভিন্ন শহরে ঘুরে ও বাজিয়ে নানারকমের গানের সঙ্গে তাঁর পরিচয় ঘটে। বাখ মূলত প্রোটেস্টান্ট চার্চের চেম্বার মিউজিকের সুরকার ছিলেন। প্রচন্ড কড়া ধাতের সুরকার হওয়ায় গায়কদলের কোনো গানই তাঁর পছন্দ হত না। একবার এক ছাত্রের হাতেই মার খেতে খেতে বেঁচেছিলেন। 

এত নামী সুরকার অথচ প্রতি সপ্তাহে তাঁকে অন্তত একটা করে নতুন সুর বাজাতেই হত। রীতিমতো কঠিন কাজ। এর ফলে বাখের তৈরি সুরের সংখ্যা সহস্রাধিক। সংখ্যাটা এতটাই বেশি যে সব হয়তো উদ্ধারও করা যায়নি। আমার কথা হল একটা লোক টানা প্রতি সপ্তাহে বিশ্বমানের সুর বানিয়ে যেত কি করে? এতো আর একটা গান নয়! প্রতি সুরে কত কত যন্ত্র বাজছে! বাখ সেজন্যই বাখ। সংগীতকারদের মধ্যে প্রথমসারির! এমন কি নাসার পাঠানো মহাকাশযান ভয়েজারেও বাখের সুরের রেকর্ড পাঠানো হয়েছে। যদি কোনো ভীনগ্রহী রেকর্ড পায় তাহলে বুঝবে পৃথিবীটা কতটা সুন্দর! 

এখন প্রশ্ন আসবে বাখ তো প্রোটেস্টান্ট ছিলেন। তাহলে বারোক যা কিনা শুরুই হয়েছে ক্যাথোলিক চার্চের গৌরবকে মহিমান্বিত করতে সেই যুগে তাঁর গুরুত্ব কি? ঘটনা হল যুগ ব্যাপারটা সার্বিক। বাখ ছিলেন অন্তিম বারোক যুগের লোক। তখন প্রাচীরটা অতটাও শক্ত ছিল না। তাছাড়াও কোনো ব্যক্তি যে দলেই থাকুন যুগের হাওয়া গায়ে লাগেই। আর বাখ তো যুগোত্তর। গান যেখানে এমনিতেই সীমানা বিভেদ মানে না, সেখানে ক্যাথলিক না প্রোটেস্টান্ট কোনো কল্কেই পাবে না। বাখ এখন বিশ্বজয়ী। 

তবে ক্যাথলিকদের পাল্লাও কম ভারী না। জার্মান বাখের সঙ্গেই আরেকজনের নাম উচ্চারিত হয়। তিনি ইতালির ভিভালডি। ভিভালডি একজন ধর্মপ্রাণ ক্যাথোলিক প্রিস্ট। তিনি মাত্র পঁচিশ বছর বয়স থেকেই ভেনিসের একটা অনাথ আশ্রমে গান বাজনা শেখাতেন। এই অনাথ আশ্রমের নিয়ম ছিল অনাথ, এতিম, দুঃস্থ শিশুরা রাষ্ট্রের (ভেনিস রাজ্য, ইতালি তখনো তৈরি হয়নি) তত্ত্বাবধানে বড়ো হবে, পড়াশোনা করবে ও গানবাজনা শিখবে। পনেরো বছর বয়স হলে তাদের এই আশ্রম ছাড়তে হবে। মেয়েরা ভালো গাইলে চার্চের গানের দলেই চাকরি পেত। টানা তিন দশক ভিভালডি সেখানে গানবাজনা শেখান। নিজে অসামান্য ভায়োলিনবাদক ছিলেন বলেই বোধহয় ভিভালডির ভায়োলিনের সুর বেশি সুন্দর। তাঁর ছাত্ররাই ইউরোপের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়েন ও সেইসঙ্গে চারিদিকে ভিভালডির নাম হয়। বাখ নিজেও ভিভালডির দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন।

ইতালি থেকে ফ্রান্স, আল্পস পেরিয়ে ভিভালডির সুর জার্মানি পৌঁছলেও তাঁর মৃত্যুর কিছুদিন পরেই সবাই তাঁকে ভুলে গেল। শেষের দিকে তিনি আর নাম পেতেন না। এমনকি ভিভালডির বিখ্যাত ফোর সিজনও হারিয়ে যায়। শেষে এজরা পাউন্ড প্রমুখ গুণিজনের উৎসাহে বহু বহু বছর পর ভিভালডি আবার চর্চায় ফেরেন।

১৭৩০ এর দিক থেকেই সাধারণ মানুষ নতুন রকমের সংগীতের প্রতি আকৃষ্ট হতে লাগল। ঘোরতর জটিল, অলঙ্কারপ্রাচুর্যের সুরের চেয়ে একটু সরল কিন্তু সুন্দর সুর লোকের মনে বেশি দাগ কাটছিল। স্পষ্টই বোঝা যাচ্ছে বারোকের দিন শেষ। তবু আল্পসের উত্তরে বাখের মহিমায় বারোকের গরিমা তখনো টিকেছিল। ১৭৫০ সালে বাখের মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে বারোক যুগেরও অবসান ঘটে৷ স্কারলেত্তির নামক এক ইতালীয় সুরকারকে নতুন যুগের অন্যতম রূপকার ধরা হয়। এসময় থেকেই শুরু হয় নয়া অধ্যায়। পশ্চিমী ধ্রুপদী সংগীতে ক্লাসিকাল পিরিয়ড। 



No comments:

Post a Comment